বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্ট সূচকে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছে বাংলাদেশ। সর্বশেষ সূচকে পাঁচ ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ৯৫ নম্বরে। এর ফলে বর্তমানে বাংলাদেশি নাগরিকরা বিশ্বের মোট ৩৭টি দেশে আগাম ভিসা ছাড়াই ভ্রমণের সুযোগ পাচ্ছেন। এর আগে ২০২৫ সালের অক্টোবরে প্রকাশিত যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্সের পাসপোর্ট সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১০০তম।
লন্ডনভিত্তিক নাগরিকত্ব ও আবাসন পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থা আইএটিএ (IATA)-এর তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবছর এই পাসপোর্ট সূচক প্রকাশ করে। সূচক অনুযায়ী, বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা যেসব দেশে ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারেন, তার মধ্যে রয়েছে বার্বাডোস, ভুটান, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডস, বুরুন্ডি, কম্বোডিয়া, কেপ ভার্দে আইল্যান্ডস, কোমোরো আইল্যান্ডস, কুক আইল্যান্ডস, জিবুতি, ডোমিনিকা, ফিজি, গ্রেনাডা, গিনি-বিসাউ, হাইতি, জ্যামাইকা, কেনিয়া, কিরিবাতি, মাদাগাস্কার, মালদ্বীপ, মাইক্রোনেশিয়া, মন্টসেরাট, মোজাম্বিক, নেপাল, নিউয়ে, রুয়ান্ডা, সামোয়া, সেশেলস, সিয়েরা লিওন, শ্রীলঙ্কা, সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস, সেন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড দ্য গ্রেনাডাইনস, দ্য বাহামাস, দ্য গাম্বিয়া, তিমুর-লেস্তে, ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো, টুভালু ও ভানুয়াতু।
তবে উল্লেখযোগ্য যে, এই তালিকার কিছু দেশে পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরে অন-অ্যারাইভাল ভিসা পাওয়া যায়, আবার কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে ভ্রমণের আগে ই-ভিসা নিতে হয়। তাই ভ্রমণের পূর্বে সংশ্লিষ্ট দেশের ভিসা নীতিমালা যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
চলতি বছরের সূচকে শীর্ষ তিনটি শক্তিশালী পাসপোর্টই এশিয়ার দেশগুলোর দখলে। এর মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুর, যার নাগরিকরা বিশ্বের ২২৭টি দেশ ও অঞ্চলের মধ্যে ১৯২টিতে ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার পান। যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া—এই দুই দেশের নাগরিকরা ১৮৮টি দেশে ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারেন।



