ইংরেজি শেখার ক্ষেত্রে অনেকেই শুরু করেন ব্যাকরণ দিয়ে। ফলস্বরূপ দীর্ঘদিন পড়াশোনা করার পরও বলায়, শোনায় বা লেখায় আত্মবিশ্বাস আসে না। অথচ যেকোনো ভাষা শেখার মূল ভিত্তি হলো—শোনা ও বলা। তাই কঠিন গ্রামার ও শব্দভান্ডারের জটিলতায় না গিয়ে প্রতিদিন মাত্র আধা ঘণ্টা সময় ব্যয় করেই ইংরেজি শেখা সম্ভব। আপনি শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী বা অভিভাবক—যেই হোন না কেন, ইংরেজিতে নিজেকে দুর্বল মনে হলে এবং সত্যিকারভাবে শিখতে চাইলে আজ থেকেই ছোট একটি নিয়ম মেনে চলুন।
প্রথমেই ভুলে যান “১০ দিনে ইংরেজি”, “৩০ দিনে ইংরেজি”, কিংবা “৩ মাসে সাবলীল ইংরেজি” ধরনের বই। বেশিরভাগ সময়ই আমরা সেগুলো কিনি, কিন্তু তিনদিনের বেশি নিয়মিত পড়া হয় না। একই কথা প্রযোজ্য স্পোকেন ইংলিশ কোচিংয়ের ক্ষেত্রেও—উৎসাহ নিয়ে ভর্তি হলেও বেশিরভাগেই নিয়মিত ক্লাসে যাওয়া হয় না, ফলে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল আসে না।
বর্তমান সময়ে আমাদের হাতে আছে স্মার্টফোন, ট্যাব বা কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট। প্রতিদিন সোশ্যাল মিডিয়া বা ইউটিউবে সময় ব্যয় করার বদলে টানা ৩০ দিন মাত্র ৩০ মিনিট সময় দিন ইংরেজি শেখায়। ইউটিউবে “Blippi” সার্চ করুন। আগে ইংরেজি না জানলেও এই চ্যানেলের সহজ ও আকর্ষণীয় কনটেন্ট দেখে অনেক কিছু শিখে ফেলতে পারবেন। এছাড়াও দেখতে পারেন—Dora the Explorer, Daniel Tiger’s Neighborhood, Sesame Street এবং Peppa Pig।
অনেকে ভাবতে পারেন—এগুলো তো শিশুদের জন্য। ঠিকই, তবে ভাষা শেখার ক্ষেত্রে শিশুরাই সবচেয়ে দ্রুত শেখে। কারণ তারা ছবি, কণ্ঠ, আবেগ, পরিস্থিতি এবং শব্দের মধ্যে সংযোগ তৈরি করে। মানুষও যেকোনো ভাষায় প্রথমে শোনা ও বলার মাধ্যমেই দক্ষ হয়, পরে শেখে পড়া ও লেখা। তাই গল্পভিত্তিক এসব কনটেন্ট আনন্দের মাধ্যমে আপনার ভাষা শেখাকে সহজ করবে।
প্রতিদিন মাত্র ৩০ মিনিট করে ৩০ দিন এই ভিডিওগুলো দেখলে অল্প সময়েই ইংরেজিতে উন্নতি দেখতে পাবেন। আরও ভালো হয় যদি আপনার শিশু থাকে—তাকে সঙ্গে নিয়ে দেখেন। শিশুটি আপনার আগেই অনেক কিছু শিখে ফেলবে, আর তার শেখার দক্ষতা দেখে আপনিও অনুপ্রাণিত হবেন।
এখনই শুরু করুন—ভবিষ্যতের আত্মবিশ্বাসী ইংরেজি বলার অভ্যাস তৈরি হোক আজ থেকেই!



