অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং ত্রুটিপূর্ণ খাদ্যাভ্যাসের কারণে বর্তমানে উচ্চ কোলেস্টেরল একটি সাধারণ কিন্তু মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, সঠিক পরিকল্পনা ও সুশৃঙ্খল জীবনযাপনের মাধ্যমে মাত্র ৩০ দিনেই কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। এর জন্য প্রথম পদক্ষেপ হলো খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনা। দৈনন্দিন তালিকায় গোটা শস্য, প্রচুর শাকসবজি এবং ফলমূল (যেমন: আপেল, পেয়ারা, তরমুজ ও পেঁপে) অন্তর্ভুক্ত করা উচিত, যা প্রাকৃতিকভাবে কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি ভাজাভুজি, অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত খাবার এবং ধূমপান ও মদ্যপানের অভ্যাস ত্যাগ করা জরুরি।
শারীরিক সক্রিয়তা এবং মানসিক প্রশান্তিও কোলেস্টেরল কমানোর ক্ষেত্রে সমান গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত শরীরচর্চা, হাঁটাচলা এবং যোগব্যায়াম শরীরের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে এবং ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। এছাড়া অতিরিক্ত মানসিক চাপ শরীরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, তাই মনকে প্রফুল্ল রাখতে ধ্যান বা পর্যাপ্ত ঘুমের অভ্যাস করা প্রয়োজন। মূলত সুষম আহার, নিয়মিত ব্যায়াম এবং ইতিবাচক মানসিকতার সমন্বয়ে মাত্র এক মাসেই হৃদরোগের ঝুঁকি কমিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখা সম্ভব।



