নারীর ক্ষমতায়ন ও উদ্ভাবনী চিন্তাধারার এক অনন্য মেলায় পরিণত হলো শক্তিকন্না ২০২৫। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সহযোগিতায় আয়োজিত এ উদ্যোগে দেশের তরুণ নারী উদ্যোক্তারা উপস্থাপন করেছেন কার্যকর, বাস্তবভিত্তিক ও ভবিষ্যৎমুখী ব্যবসায়িক সমাধান।
এবারের আসরে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে স্মার্ট এফিশিয়েন্সি, কমিউনিটি-ড্রাইভেন সাসটেইনেবিলিটি মডেল, এবং টেকসই উদ্যোক্তা উদ্যোগ–কে। অংশগ্রহণকারী তরুণীরা দেখিয়েছেন কীভাবে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং সামাজিক প্রভাব একসঙ্গে মিলিয়ে এগিয়ে নেওয়া যায় বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সমাজকে।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন জানায়, তারা বাংলাদেশে দক্ষতা উন্নয়ন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ খাতে অন্তর্ভুক্তি, উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি আরও শক্ত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শক্তিকন্না ২০২৫ সেই প্রতিশ্রুতিরই একটি প্রতিচ্ছবি, যেখানে ভবিষ্যতের নারী উদ্যোক্তারা তৈরি করছেন নিজেদের নেতৃত্ব ও প্রভাবের পথ।
ইইউ-এর পক্ষ থেকে বলা হয়, “বাংলাদেশের তরুণ নারীরা শুধু ব্যবসায় নয়, টেকসই উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে—শক্তিকন্না সেই যাত্রাকে আরও ত্বরান্বিত করছে।”
এই আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের নারী উদ্যোক্তাদের জন্য তৈরি হলো উদ্ভাবন, পরামর্শ, নেটওয়ার্কিং এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার এক শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম।



