স্বামীর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়ে গভীর রাতে বাবাকে ভিডিও কল করে বাঁচার আকুতি জানানোর কিছুক্ষণ পরই জুমরাতুন নেসা বর্ষা নামের এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে. কল কেটে যাওয়ার পর পরিবারের লোকজন তাঁর বাসায় গিয়ে তাঁকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান. মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় গভীর শোক ও তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে.
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে নাবিদ হোসেনের সাথে জুমরাতুন নেসা বর্ষার প্রেমের সম্পর্কে বিয়ে হয়েছিল. বেকার স্বামী নাবিদ প্রায়শই তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের কাছে টাকা দাবি করতেন এবং এর জের ধরেই বর্ষার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালাতেন. ঘটনার দিনও ভাইয়ের কাছ থেকে টাকা এনে দেওয়ার জন্য তাঁকে চাপ দেওয়া হয় এবং মারধর করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে.
মধ্যরাতে বাবাকে করা সেই শেষ ভিডিও কলে বর্ষা কাঁদতে কাঁদতে জানিয়েছিলেন যে তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হচ্ছে এবং তাঁকে দ্রুত বাবার বাড়ি না নিয়ে গেলে তাঁকে মেরে ফেলা হবে—এমন আশঙ্কার কথা বলার পরই কলটি হঠাৎ কেটে যায়. পরবর্তীতে পরিবার ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই তাঁর প্রাণহানি ঘটে. এই মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছে নিহতের পরিবার.



