দেশে আবারও কমানো হয়েছে ফার্নেস অয়েলের দাম। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার ফার্নেস অয়েলের দাম ৮ টাকা ৭১ পয়সা কমেছে। এর ফলে শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং বিভিন্ন উৎপাদনমুখী খাতের ব্যয় কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জ্বালানি তেলের দামের এই সমন্বয়কে শিল্পখাতের জন্য ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। উৎপাদন ব্যয় কমলে অনেক প্রতিষ্ঠানের পরিচালন ব্যয়ও হ্রাস পেতে পারে, যা সামগ্রিকভাবে অর্থনৈতিক কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামের ওঠানামা এবং আমদানি ব্যয়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সময়ে সময়ে দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করা হয়। সর্বশেষ এই মূল্যহ্রাসের ফলে শিল্প উদ্যোক্তারা কিছুটা স্বস্তি পেলেও ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতির ওপরই নির্ভর করবে দাম স্থিতিশীল থাকবে কি না।
এদিকে নতুন মূল্য কার্যকরের পর সংশ্লিষ্ট খাতের ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, উৎপাদন ব্যয় কমার ইতিবাচক প্রভাব ধীরে ধীরে বাজারেও প্রতিফলিত হবে।



