যুক্তরাষ্ট্রের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোম্পানি অ্যানথ্রোপিক তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী এআই মডেল ‘মিথোস’-এর সর্বজনীন সংস্করণ বাজারে এনেছে। সফটওয়্যারের দুর্বলতা চিহ্নিত করার অসাধারণ ক্ষমতার কারণে আগের ‘প্রিভিউ’ সংস্করণ বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করলেও এবার সাইবার নিরাপত্তার মতো ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষেত্রে ব্যবহার রোধে বিশেষ সুরক্ষা ব্যবস্থা বা ‘গার্ডরেল’ যুক্ত করা হয়েছে।
স্টার্টআপ সংস্থাটি জানায়, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং ও অ্যানালিটিক্সে দুর্দান্ত ‘ক্লড ফেবল ৫’ মডেলটি তাদের এ যাবৎকালের সবচেয়ে শক্তিশালী মডেল, যা ব্যাপক পরিসরে ব্যবহারের জন্য চালু করা হচ্ছে। গত এপ্রিলে ‘মিথোস’ হাজার হাজার সফটওয়্যার দুর্বলতা শনাক্তের পর অ্যানথ্রোপিক এর ব্যবহার সীমিত রেখেছিল। ‘গ্লাসউইং’ কর্মসূচির আওতায় মার্কিন সরকারসহ প্রায় ২০০টি সংস্থার মধ্যে এর ব্যবহার সীমাবদ্ধ ছিল।
এআই শিল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা অ্যানথ্রোপিক ও ওপেনএআইয়ের মধ্যে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির প্রতিযোগিতা চলছে। এ সময় এই পদক্ষেপটি অ্যানথ্রোপিকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সংস্থাটি জানায়, ব্যবহারকারীরা যেন নির্দেশিকা এড়িয়ে নিষিদ্ধ কাজ না করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক পরীক্ষা চালিয়েছে তারা।
অ্যানথ্রোপিকের প্রোডাক্ট ম্যানেজমেন্ট, রিসার্চ ও ল্যাবস বিভাগের প্রধান ডায়ান পেন রয়টার্সকে বলেন, ‘কোনো শিক্ষার্থী যদি এআই মডেলটিকে সাইবার দুর্বলতা খুঁজে দিতে বলে, তখন মডেলটি তা প্রত্যাখ্যান করবে এবং উত্তরের জন্য ‘ফেবল ৫’-এর পরিবর্তে ‘ওপাস ৪.৮’ মডেলটি ব্যবহার করবে।’ পেন জানান, ‘ফেবল ৫’ মডেলটির খরচ বেশি হলেও এটি কম ‘টোকেন’ ব্যবহার করে কাজ সম্পন্ন করে, ফলে প্রতি কাজের সামগ্রিক খরচ কমে আসে। অ্যানথ্রোপিক আরও জানায়, যেসব ব্যবহারকারীর কাছে ‘ক্লড মিথোস’-এর ‘প্রিভিউ’ সংস্করণ ছিল, তারা নতুন ‘ক্লড মিথোস ৫’-এ আপগ্রেড করতে পারবেন।



