২০২৬ বিশ্বকাপে প্রথমবার ৪৮টি দল অংশ নিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ১৬টি শহরে এ আসর অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্বকাপ শুরুর আগে এখন আলোচনায় ‘ট্রাইওন্ডা’—অ্যাডিডাসের তৈরি এই আসরের অফিসিয়াল বল। তিন আয়োজক দেশকে সম্মান জানিয়ে তৈরি বলে রয়েছে ডিপ-সিম প্রযুক্তি ও ৫০০ হার্ৎস মোশন সেন্সর। ভিএআর সিদ্ধান্তকে নির্ভুল করতে বলের স্থিতিশীলতা বাড়াবে এই প্রযুক্তি। বলে তিন দেশের পতাকার রং—নীল, লাল ও সবুজ ব্যবহার করা হয়েছে। এটি একটি উন্নত ট্র্যাকিং ডিভাইস হিসেবেও কাজ করবে।
সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে বলের ভেতরের প্রযুক্তিতে। এতে অত্যাধুনিক মোশন সেন্সর চিপ বসানো হয়েছে, যা প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫০০ বার ডেটা সংগ্রহ করতে পারে। ফলে বল কখন, কোথায়, কী গতিতে যাচ্ছে বা কোন খেলোয়াড় সেটিকে স্পর্শ করছে—সব তথ্য সঙ্গে সঙ্গেই পাওয়া যাবে। সেন্সরটির ওজন মাত্র ১৪ গ্রাম। আগেও ফুটবলে প্রযুক্তি ব্যবহার হলেও এবার তা আরও উন্নত করা হয়েছে। সেন্সরটি এমনভাবে বসানো হয়েছে যাতে বলের স্বাভাবিক ওজন, গতি বা বাউন্সে কোনো পরিবর্তন না আসে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো পাওয়ার সিস্টেম। বলের ভেতরের সেন্সর চালু রাখতে ম্যাচ শুরুর আগে এটি চার্জ করতে হবে। একবার সম্পূর্ণ চার্জ হলে তা ৬ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করবে।



