‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর প্রথম আসরে রংপুর বিভাগের চ্যাম্পিয়ন ফুটবল দলের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার কিসকুর একটি ছোট্ট ইচ্ছা ছুঁয়ে গেছে অনেকের হৃদয়। গণমাধ্যমে কিসকু জানায়, তার মায়ের কাছে যদি একটি মোবাইল ফোন থাকত, তবে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দটি তিনি মায়ের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারতেন। কিশোরী ফুটবলারের এই আবেগঘন আবেদন জানার পরই মানবিক উদ্যোগ নেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। মিরপুরে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি কিসকুর মায়ের হাতে একটি নতুন মোবাইল ফোন ও নগদ আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। পাশাপাশি তার জন্য স্থায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থারও ঘোষণা দেন।
গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর কিসকুর পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। তবে জীবিকার সন্ধানে ঢাকায় আসা কিসকুর মায়ের অবস্থান প্রথমে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। পরে বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজ চালিয়ে অবশেষে তাকে খুঁজে পাওয়া যায় এবং কিসকুর স্বপ্ন পূরণের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়। প্রতিমন্ত্রী জানান, কিসকুর মা যাতে নিয়মিত আয়ের মাধ্যমে পরিবারকে স্বাবলম্বী করতে পারেন, সে লক্ষ্যে তার জন্য একটি চাকরির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, কিসকু ভবিষ্যতে দেশের ফুটবলে আরও বড় সাফল্য অর্জন করবে।
এদিকে প্রতিমন্ত্রী আরও একটি সুখবর জানান। গত ২৭ জুলাই ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর প্রথম আসরের সমাপনী অনুষ্ঠানের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কিসকুসহ প্রতিযোগিতায় পুরস্কারপ্রাপ্ত সব খুদে ক্রীড়াবিদ এবং তাদের অভিভাবকদের রাষ্ট্রীয় বাসভবন যমুনায় নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। বর্তমানে পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্রীড়াবিদ ও তাদের অভিভাবকদের তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। এই প্রক্রিয়া শেষ হলে প্রধানমন্ত্রীর সময়সূচি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে বিশেষ এই নৈশভোজের আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।



