বাংলাদেশে দ্রুত বাড়ছে অনলাইনের ব্যবহার, আর এর সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ব্য্যান্ডউইথের চাহিদা। তবে চাহিদার এই অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণে দেশটিতে ভবিষ্যতে একটি বড় ধরনের ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ সংকট তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৩ সালে দেশে ব্যান্ডউইথের ব্যবহার ছিল মাত্র ৫০ জিবিপিএস (Gbps)। ২০২৬ সালে সেই ব্যবহার লাফিয়ে পৌঁছেছে প্রায় ১৩.৫ টিবিপিএসে (Tbps)। প্রযুক্তির প্রসার এবং ডিজিটাল সেবার পরিধি আরও বৃদ্ধি পাওয়ায় ২০৩৬ সালের মধ্যে দেশের ইন্টারনেটের মোট চাহিদা ৪৩২ টিবিপিএসে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন যে, ক্রমবর্ধমান এই চাপ সামলাতে অবিলম্বে নতুন সাবমেরিন ক্যাবল সংযোগ স্থাপন করা জরুরি। সময়মতো নতুন ক্যাবল যুক্ত করা না হলে ব্যান্ডউইথের মারাত্মক ঘাটতি দেখা দিতে পারে।
এই সংকট কাটিয়ে উঠতে বর্তমানে কিছু বেসরকারি প্রস্তাবিত প্রকল্প কাজ করছে, যা বাস্তবায়িত হলে অতিরিক্ত ৫১ টিবিপিএস ব্যান্ডউইথ যুক্ত হবে। এতে ভারতের ওপর বাংলাদেশের ব্যান্ডউইথ নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে এবং ইন্টারনেটের দাম প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সুসংহত রাখতে এসব অবকাঠামোগত উন্নয়ন দ্রুত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।



